আমাদের ৫টি মূল চালিকাশক্তি (5 Core Programs)
স্বপ্নকানন প্রজেক্টটি মূলত ৫টি ভিন্ন ভিন্ন রেভিনিউ জেনারেটিং খাতের ওপর দাঁড়িয়ে আছে, যা বছরের ১২ মাসই প্রজেক্টের আয় সচল রাখবে। আমরা এটাকে বলছি— ফাইভ ইন ওয়ান।
১. মেগা এগ্রো প্রজেক্টঃ
এটি আমাদের প্রজেক্টের মূল “ক্যাশ কাউ” বা আয়ের প্রধান উৎস। ঢাকার বাইরে কম খরচে লিজ নেওয়া ১০০ বিঘারও বেশি জমিতে আধুনিক ডেইরি, উন্নত মৎস্য চাষ এবং উচ্চ ফলনশীল অর্গানিক ফল-সবজি উৎপাদিত হবে। মধ্যস্বত্বভোগী ছাড়া সরাসরি বাজারজাতকরণের মাধ্যমে এখান থেকে সর্বোচ্চ প্রফিট নিশ্চিত করা হবে।
২. লাক্সারি রিসোর্টঃ
ব্যস্ত জীবনের ক্লান্তি দূর করতে ঢাকার একদম কাছেই গড়ে উঠছে আমাদের প্রিমিয়াম ভিলা ও কটেজ সমৃদ্ধ রিসোর্ট। উইকএন্ড ফ্যামিলি ট্রিপ, ডে-ট্যুর প্যাকেজ এবং কর্পোরেট রিট্রিটের জন্য এটি হবে অন্যতম সেরা ডেস্টিনেশন।
৩. আধুনিক কনভেনশন হলঃ
ঢাকার ট্রাফিক জ্যাম এড়িয়ে মনোরম ও প্রাকৃতিক পরিবেশে ডেস্টিনেশন ওয়েডিং, কর্পোরেট কনফারেন্স, এজিএম (AGM) এবং বড় সামাজিক ইভেন্ট আয়োজনের জন্য ১০০০+ ধারণক্ষমতার স্টেট-অফ-দ্য-আর্ট কনভেনশন হল।
৪. অ্যাডভেঞ্চার পার্ক ও কিডস জোনঃ
পারিবারিক বিনোদনের জন্য জিপলাইন, কায়াকিং, রোপ কোর্স এবং বাচ্চাদের জন্য নিরাপদ ও আকর্ষণীয় রাইডস সমৃদ্ধ একটি থিম পার্ক, যা প্রজেক্টে প্রতিনিয়ত দর্শনার্থীর আগমন নিশ্চিত করবে।
৫. প্রিমিয়াম স্পোর্টস কমপ্লেক্সঃ
কর্পোরেট টুর্নামেন্ট, উইকএন্ড বুকিং, আধুনিক ইনডোর গেমস এবং স্পোর্টস একাডেমি মেম্বারশিপের মাধ্যমে এটি একটি নিয়মিত ও স্থায়ী আয়ের খাত হিসেবে কাজ করবে।
বাৎসরিক টার্গেট প্রফিট প্রজেকশনঃ
একটি পূর্ণাঙ্গ প্রজেক্ট বাস্তবায়নের পর আমাদের ৫টি খাত থেকে সম্ভাব্য বাৎসরিক নিট প্রফিটের হিসাব নিচে তুলে ধরা হলো:
আমাদের প্রোগ্রামসমূহ সম্ভাব্য বাৎসরিক নিট প্রফিট
১. মেগা এগ্রো প্রজেক্ট (১০০+ বিঘা) ৩৫ — ৪০ কোটি টাকা
২. লাক্সারি রিসোর্ট ১৫ — ১৮ কোটি টাকা
৩. অ্যাডভেঞ্চার পার্ক ও কিডস জোন ১০ — ১২ কোটি টাকা
৪. আধুনিক কনভেনশন হল ৮ — ১০ কোটি টাকা
৫. প্রিমিয়াম স্পোর্টস কমপ্লেক্স ৫ — ৮ কোটি টাকা
সর্বমোট বাৎসরিক টার্গেট প্রফিট ৭৩ — ৮৮ কোটি টাকা
শেয়ার প্রতি বাৎসরিক আয়ের টার্গেটঃ
আমাদের মোট ১৫,০০০ শেয়ারের বিপরীতে এই লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হলে, প্রতিটি শেয়ারের বিপরীতে বাৎসরিক আনুমানিক ৫০,০০০ থেকে ৬০,০০০ টাকা পর্যন্ত লভ্যাংশ (Profit) প্রদান করা আমাদের মূল লক্ষ্য।
কেন এবং কীভাবে এই টার্গেট প্রফিট করা সম্ভব?
লো-কস্ট, হাই-রিটার্ন এগ্রো মডেল:
উৎপাদনের জন্য মূল জমির দামের ওপর নির্ভর না করে ঢাকার বাইরে কম খরচে জমি লিজ নেওয়া হচ্ছে। এতে প্রাথমিক খরচ অনেক কম এবং প্রফিট মার্জিন অনেক বেশি।
মাল্টিপল সোর্স অফ ইনকাম:
আমাদের ব্যবসা কোনো একক খাতের ওপর নির্ভরশীল নয়। অফ-সিজনে (যেমন বর্ষাকালে) পার্কের আয় কমলেও এগ্রো বা স্পোর্টস কমপ্লেক্সের আয় সচল থাকবে। আবার শীতকালে রিসোর্ট, কনভেনশন হল এবং পার্ক থেকে আসবে দ্বিগুণ আয়।
১৫,০০০ শেয়ারহোল্ডারই আমাদের শক্তি:
আমাদের বিশাল শেয়ারহোল্ডার পরিবারই আমাদের মূল ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর। ফলে প্রজেক্টের প্রচার ও কাস্টমার আকর্ষণে আমাদের বাড়তি কোনো মার্কেটিং বা বিজ্ঞাপন খরচ লাগছে না। এই সাশ্রয় সরাসরি প্রফিট মার্জিন বাড়িয়ে দেয়।
একটি বাস্তব সম্মত মেসেজঃ
এটি সম্পূর্ণ প্রজেক্টের পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নের পর একটি পরিকল্পিত বাৎসরিক টার্গেট ইনকাম প্রজেকশন। ব্যবসার ধরন, দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি ও বাজারের চাহিদার ওপর ভিত্তি করে বাস্তব আয়ের পরিমাণ কিছুটা কম বা বেশি (পরিবর্তন) হতে পারে। তবে আমাদের দক্ষ টিম এই টার্গেট ছুঁতে শতভাগ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
তথাপি বলবো— আপনি স্বপ্নকাননে শুধুমাত্র উচ্চ মুনাফার আশায় কখনোই বিনিয়োগ করবেন না! বরং স্বপ্নকাননে আমরা যারা বিনিয়োগ করছি তারা এখান থেকে যা যা আশা করছি—
একবার বিনিয়োগ করে আজীবন হালাল মুনাফা।
সামাজিক মর্যাদা।
বংশপরম্পরায় নিশ্চিত মালিকানা।
বিপদ-আপদে সহজে বিক্রয় ও হস্তান্তরযোগ্যতা।
বহু মানুষের কর্মসংস্থান তৈরিতে অবদান রাখা।
নিজের ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য একটি কর্মসংস্থান তৈরি করে যাওয়া।
দেশের অর্থনীতিতে, কৃষিতে, পর্যটন ও সুস্থ বিনোদন খাতে অবদান রাখা।
একটি দৃষ্টি নন্দন জামে মসজিদ স্থাপনে অংশীদার হওয়া।
অন্যান্য!
ধন্যবাদান্তে—
আব্দুল্লাহ আল মাহাদী
স্বপ্নদ্রষ্টা, স্বপ্নকানন।